গাইবান্ধা সদর উপজেলার খোলাহাটী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মাসুম হক্কানি ভিজিএফ এর ৩০ কেজি চালের বস্তা গোপনে বিক্রিয়ের অভিযোগ আসলে চেয়ারম্যান মাসুম হক্কানি কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি কোন হিসাব দিতে পারবোনা একপর্যায়ে তিনি বলেন আমি ৬৬৮৪ টি স্লিপের ১০ কেজি চাল সবগুলো নিয়ে এসেছি আর কিছু বলতে পারবো না। গাইবান্ধা সদর এল এস ডি এর তথ্য মতে ৫০ কেজি আতপ চালের বস্তা ৪৪০ টি ৩০ কেজি সিদ্ধ চালের বস্তা ১৫১৩ টি অর্থাৎ মোট ২২ টন চাল বরাদ্দ করা হয়েছে খোলাহাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুম হক্কানী চালান ফরমের স্বাক্ষর ও রিসিভ কপি গ্রহণ করে এবং ৫০ কেজি আতপ চালের বস্তা ৪৪০ টি বস্তা ৩০ কেজি সিদ্ধ চালের ১৫১৩ টি বস্তা নিয়ে যায়।
সদর উপজেলার খোলাহাটী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মাসুম হক্কানী তথ্য গোপন করে। তিনি আরো বলেন আমার তথ্য আমি কাউকে দিতে বাধ্য নই। বস্তাগুলো গণনা করতে ইউনিয়ন পরিষদের গোডাউনে প্রবেশ করে দেখা যায় ৩০ কেজি চালের বস্তা সারিবদ্ধ খামালের পূর্ব-পশ্চিম দৈর্ঘ্যে ১৫ টি সারি প্রস্থের ৫টি ও উচ্চতায় ১৪টি চালের বস্তা রয়েছে। যার গড় করলে হয় (১৫×১৪×৫)=১০৫০টি বস্তা। যেখানে থাকার কথা ১৫১৩ বস্তা (১৫১৩-১০৫০)=৪৬৩ চালের বস্তা কোথায় চেয়ারম্যান মাসুম হক্কানী কে জিজ্ঞেস করলে তিনি কোন প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে তিনি নানা রকম কাজের অজুহাত দেখায়। পরবর্তীতে তিনি সাংবাদিকদের নামে মিথ্যা চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে ফেসবুক গণমাধ্যমে মিথ্যা ভিডিও পোস্ট করেন। চেয়ারম্যান মাসুম হক্কানী তার নিজের অপরাধ টি চাপা দেয়ার জন্য এই মিথ্যা ভিডিও পোস্ট করেন ।